ঢাকা ১১:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
লাকসাম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার ঘুষ বাণিজ্য কন্যা শিশুদের সুরক্ষায় প্রয়োজন সম্মিলিত প্রচেষ্টা বাংলাদেশ জুলাই যোদ্ধা সংসদ এর সম্মাননা প্রদান বিশ্ব শিক্ষক দিবসে নাঙ্গলকোটে র‍্যালি ও আলোচনা সভা লাকসামে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কুমিল্লা বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত লাকসামে জাকের পার্টির দাওয়াতি আজিমুশ্বান ইসলামী জলসা অনুষ্ঠিত মোটরসাইকেল শোডাউন ও গণসংযোগে আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া- জনগণকে সাথে নিয়ে আধুনিক ও মডেল সরসপুর ইউনিয়ন গড়তে চাই নাঙ্গলকোটে হতদরিদ্র পরিবারকে ঘর উপহার লাকসামে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত মৃৎ শিল্পীরা গণমাধ্যমকে সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে চায় না : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

লাকসাম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার ঘুষ বাণিজ্য

এম এ মান্নান :
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৩:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুমিল্লার লাকসামে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বদলির আবেদন বা সংযুক্তিতে ঘুস গ্রহণ, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরিতে বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ওঠেছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহা. দেলোয়ার হোসেন মজুমদারের বিরুদ্ধে।

উপজেলার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের মাধ্যমে ২০ হাজার টাকা ঘুস নেওয়ার বিষয়টি গত ২৪ সেপ্টেম্বর উপজেলা পরিষদের মাসিক সভায় স্থানীয় সংসদ সদস্যের সামনে উত্থাপন করা হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই শিক্ষক সোমবার (৫ অক্টোবর) জানান, গত ২৪ সেপ্টেম্বর রাতেই ঘুসের টাকা ফেরত দেন শিক্ষা কর্মকর্তা দেলোয়ার। তিনি বলেন, উপজেলা শিক্ষা অফিসার স্যারের নানাবিধ চাপের কারণে শিক্ষক বদলির আবেদন বা সংযুক্তিতে একটু অনিয়ম হয়েছে।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর ওই শিক্ষককে নিজ কার্যালয়ে ডাকেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা দেলোয়ার। এরপর নশরতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংযুক্তির বিষয়ে কোনো টাকা লেনদেন হয়নি মর্মে ইউএনও বরাবর একটি লিখিত আবেদন দিতে বাধ্য করেন ওই শিক্ষককে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালে ৪ জুন লাকসাম উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হিসাবে যোগ দেন দেলোয়ার। এর আগে তিনি ২০১৫ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত লাকসামে একই দায়িত্বে ছিলেন। মাস ছয়েক আগে উপজেলার শিবাখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. ফরিদ হোসেন পৌরশহরের দৌলতগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংযুক্তির জন্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেন। ওই সময় তিনি শিক্ষা কর্মকর্তার আস্থাভাজন অপর এক শিক্ষকের মাধ্যমে ২০ হাজার টাকা ঘুস দেন। তবে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ওই শিক্ষককে পৌরশহরের দৌলতগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে না দিয়ে নশরতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যুক্ত করেন।

অভিযোগ উঠেছে, কোনো বিদ্যালয়ে পাঁচজন বা তারও কম শিক্ষক কর্মরত থাকলে ওইসব বিদ্যালয় থেকে বদলির বিধিনিষেধ রয়েছে। কিন্তু এসব বিধিনিষেধের তোয়াক্কা করেননি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। তিনি মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে কামড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রাবেয়া আক্তারকে রেলওয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংযুক্ত করেন।

অভিযোগ ওঠেছে, এ ছাড়া সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিজ উদ্যোগে প্রান্তিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে থাকে। কিন্তু উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে একযোগে প্রশ্নপত্র তৈরি করে সব বিদ্যালয়ে সরবরাহ করেন। এ ক্ষেত্রে প্রত্যেক শিক্ষার্থী থেকে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মাধ্যমে বাধ্যতামূলক অর্থ আদায় করেন। শুধু প্রশ্নপত্র নয়, বিদ্যালয়ের যেকোনো ক্ষুদ্র মেরামত কাজের বিল অনুমোদনের ক্ষেত্রে প্রতিটি বিদ্যালয় থেকে এবং নির্বাচনি কাজে ব্যবহৃত বিদ্যালয়গুলোর সংস্কার বরাদ্দ থেকেও অনৈতিকভাবে অর্থ আদায় করেন। পাশাপাশি বিভিন্ন দরখাস্তের রিসিভ কপি না দেওয়া, প্রশাসনিক চাপ সৃষ্টি এবং ফাইল অনুমোদনে অর্থ নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

কার্দ্রা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয়নাল আবেদীন সাপ্তাহিক লাকসামকে বলেন, ‘বিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র মেরামতের জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসকে খরচ বাবদ প্রায় ৪ হাজার, ভ্যাট বাবদ ৩ হাজার ও ইঞ্জিনিয়ার বাবদ ৩ হাজার টাকা দেওয়া হয়।’

প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. শাহাজাহান বলেন, একজন শিক্ষক বদলির বিষয়ে অর্থ আদান-প্রদানের বিষয়টি শুনেছি।

মনোহরপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও উপজেলা প্রশ্ন প্রণয়ন কমিটির আহ্বায়ক বিশ্বনাথ মজুমদার বলেন, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি ক্ষেত্রে সব সদস্যের সঙ্গে আলোচনা করে স্কুলের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির প্রতি শিক্ষার্থী থেকে ৮ টাকা এবং তৃতীয় শ্রেণি থেকে চর্তুথ শ্রেণির প্রতি শিক্ষার্থী থেকে ১০ টাকা করে নেওয়া হয়।

লাকসাম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহা. দেলোয়ার হোসেন মজুমদার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, একটি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রশ্নপত্র প্রস্তুত ও সরবরাহ করা হয়েছে। কামড্ডা ও শ্রীরামপুর শিবাখোলা বিদ্যালয়ের দুজন শিক্ষককে অন্য বিদ্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। এটি সংশ্লিষ্ট কমিটির মাধ্যমেই হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বিদ্যালয়ের মেরামতের বিল পরিশোধ করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র মেরামতের বিল অনুমোদন বাবদ অনৈতিকভাবে টাকা নেওয়ার অভিযোগ সঠিক নয়।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)  নার্গিস সুলতানা বলেন, উপজেলা পরিষদের মাসিক সভায় ওই শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ স্থানীয় সংসদ সদস্যের নির্দেশক্রমে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে তদন্ত সাপেক্ষ প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

লাকসাম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার ঘুষ বাণিজ্য

আপডেট সময় : ০৩:৩৩:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

কুমিল্লার লাকসামে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বদলির আবেদন বা সংযুক্তিতে ঘুস গ্রহণ, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরিতে বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ওঠেছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহা. দেলোয়ার হোসেন মজুমদারের বিরুদ্ধে।

উপজেলার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের মাধ্যমে ২০ হাজার টাকা ঘুস নেওয়ার বিষয়টি গত ২৪ সেপ্টেম্বর উপজেলা পরিষদের মাসিক সভায় স্থানীয় সংসদ সদস্যের সামনে উত্থাপন করা হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই শিক্ষক সোমবার (৫ অক্টোবর) জানান, গত ২৪ সেপ্টেম্বর রাতেই ঘুসের টাকা ফেরত দেন শিক্ষা কর্মকর্তা দেলোয়ার। তিনি বলেন, উপজেলা শিক্ষা অফিসার স্যারের নানাবিধ চাপের কারণে শিক্ষক বদলির আবেদন বা সংযুক্তিতে একটু অনিয়ম হয়েছে।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর ওই শিক্ষককে নিজ কার্যালয়ে ডাকেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা দেলোয়ার। এরপর নশরতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংযুক্তির বিষয়ে কোনো টাকা লেনদেন হয়নি মর্মে ইউএনও বরাবর একটি লিখিত আবেদন দিতে বাধ্য করেন ওই শিক্ষককে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালে ৪ জুন লাকসাম উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হিসাবে যোগ দেন দেলোয়ার। এর আগে তিনি ২০১৫ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত লাকসামে একই দায়িত্বে ছিলেন। মাস ছয়েক আগে উপজেলার শিবাখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. ফরিদ হোসেন পৌরশহরের দৌলতগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংযুক্তির জন্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেন। ওই সময় তিনি শিক্ষা কর্মকর্তার আস্থাভাজন অপর এক শিক্ষকের মাধ্যমে ২০ হাজার টাকা ঘুস দেন। তবে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ওই শিক্ষককে পৌরশহরের দৌলতগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে না দিয়ে নশরতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যুক্ত করেন।

অভিযোগ উঠেছে, কোনো বিদ্যালয়ে পাঁচজন বা তারও কম শিক্ষক কর্মরত থাকলে ওইসব বিদ্যালয় থেকে বদলির বিধিনিষেধ রয়েছে। কিন্তু এসব বিধিনিষেধের তোয়াক্কা করেননি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। তিনি মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে কামড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রাবেয়া আক্তারকে রেলওয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংযুক্ত করেন।

অভিযোগ ওঠেছে, এ ছাড়া সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিজ উদ্যোগে প্রান্তিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে থাকে। কিন্তু উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে একযোগে প্রশ্নপত্র তৈরি করে সব বিদ্যালয়ে সরবরাহ করেন। এ ক্ষেত্রে প্রত্যেক শিক্ষার্থী থেকে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মাধ্যমে বাধ্যতামূলক অর্থ আদায় করেন। শুধু প্রশ্নপত্র নয়, বিদ্যালয়ের যেকোনো ক্ষুদ্র মেরামত কাজের বিল অনুমোদনের ক্ষেত্রে প্রতিটি বিদ্যালয় থেকে এবং নির্বাচনি কাজে ব্যবহৃত বিদ্যালয়গুলোর সংস্কার বরাদ্দ থেকেও অনৈতিকভাবে অর্থ আদায় করেন। পাশাপাশি বিভিন্ন দরখাস্তের রিসিভ কপি না দেওয়া, প্রশাসনিক চাপ সৃষ্টি এবং ফাইল অনুমোদনে অর্থ নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

কার্দ্রা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয়নাল আবেদীন সাপ্তাহিক লাকসামকে বলেন, ‘বিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র মেরামতের জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসকে খরচ বাবদ প্রায় ৪ হাজার, ভ্যাট বাবদ ৩ হাজার ও ইঞ্জিনিয়ার বাবদ ৩ হাজার টাকা দেওয়া হয়।’

প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. শাহাজাহান বলেন, একজন শিক্ষক বদলির বিষয়ে অর্থ আদান-প্রদানের বিষয়টি শুনেছি।

মনোহরপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও উপজেলা প্রশ্ন প্রণয়ন কমিটির আহ্বায়ক বিশ্বনাথ মজুমদার বলেন, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি ক্ষেত্রে সব সদস্যের সঙ্গে আলোচনা করে স্কুলের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির প্রতি শিক্ষার্থী থেকে ৮ টাকা এবং তৃতীয় শ্রেণি থেকে চর্তুথ শ্রেণির প্রতি শিক্ষার্থী থেকে ১০ টাকা করে নেওয়া হয়।

লাকসাম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহা. দেলোয়ার হোসেন মজুমদার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, একটি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রশ্নপত্র প্রস্তুত ও সরবরাহ করা হয়েছে। কামড্ডা ও শ্রীরামপুর শিবাখোলা বিদ্যালয়ের দুজন শিক্ষককে অন্য বিদ্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। এটি সংশ্লিষ্ট কমিটির মাধ্যমেই হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বিদ্যালয়ের মেরামতের বিল পরিশোধ করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র মেরামতের বিল অনুমোদন বাবদ অনৈতিকভাবে টাকা নেওয়ার অভিযোগ সঠিক নয়।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)  নার্গিস সুলতানা বলেন, উপজেলা পরিষদের মাসিক সভায় ওই শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ স্থানীয় সংসদ সদস্যের নির্দেশক্রমে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে তদন্ত সাপেক্ষ প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।