লাকসামে জমি সংক্রান্ত বিরোধে চাচা শ্বশুরকে হত্যার অভিযোগ
- আপডেট সময় : ১১:৩৮:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে
স্টাফ রিপোর্টাল :
কুমিল্লার লাকসামে তাঁতিদলের সভাপতির লাথির আঘাতে তারই চাচা শ্বশুরের মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিহত আবদুল মান্নান (৬৫) পেশায় ভ্যানচালক। তিনি লাকসাম পৌরসভার গুন্তি গ্রামের মৃত সফর আলীর ছেলে।
অপরদিকে, ৮নং ওয়ার্ড তাঁতিদলের সভাপতি শুকুর আলী (৫৫) একই পাড়ার মৃত জুলফে আলীর ছেলে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১১টায় এ ঘটনা ঘটে।ময়নাতদন্তের পর শুক্রবার রাত ৯টায় আব্দুল মান্নানকে দাফন করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল মান্নান বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে তার ভাই শামছুল হক, মেয়ে বকুল বেগম ও জামাই শুকুর আলী ঘরে ডেকে নেন। এ সময় জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে জামাই-শ্বশুর-মেয়ে মিলে আব্দুল মান্নানকে মারধর করে। শেষ পর্যায়ে আব্দুল মান্নানের স্পর্শকাতর অঙ্গে লাথি দেন ভাতিজি জামাতা শুকুর আলী। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাৎক্ষণিক পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন আব্দুল মান্নানকে লাকসাম সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে লাকসাম থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে ও মামলার বাদী হালিম হোসেন জানান, আমার পিতাকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা হয়েছে । শুকুর আলী, আমার জেঠা শামছুল হক ও তার মেয়ে বকুল বেগম পরিকল্পিতভাবে বাড়িতে ডেকে নিয়ে আমার পিতাকে হত্যা করেছে। আমরা হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
নিহত আব্দুল মান্নানের অপর ছেলে বিল্লাল হোসেন বলেন, আমার বাবাকে আমার জেঠা শামছুল হক, তার মেয়ে বকুল এবং মেয়ের জামাই শুকুর আলী মিলে ঘরে ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে। পাশের ঘরের লোকজন আমাদেরকে রাতে খবর দিলে আমরা বাবাকে দ্রুত হসপিটালে নিয়ে যাই। সেখানে নেওয়ার আগেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত ভাতিজি জামাই শুকুর আলীর বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে লাকসাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাকছুদ আহম্মেদ সাপ্তাহিক লাকসামকে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর হয়েছে। নিহতের ছেলে বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনা তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।














