ঢাকা ১০:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
লগি-বৈঠা হামলায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে লাকসামে জামায়াতের বিক্ষোভ নয়নজলি ভরাট করে সরকারি সম্পত্তি দখল:  জব্দকৃত মাটি নিলামের ঘোষণা — ইউএনও’র  লাকসামের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এ কে এম ফজলুল হকের ইন্তেকাল মোহাম্মদপুরে জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যকে র‍্যাংক ব্যাজ পরিধান কাশিমপুরে সুপ্রিম গার্মেন্টসের গোডাউনে ভয়াবহ আগুন, ৯ ইউনিটের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণ ঢাকা–কক্সবাজার রুটে মহানগর এক্সপ্রেস, লাকসামে যাত্রাবিরতি – লাকসামের জন্য টিকিট বাড়ানোর দাবি যাত্রীদের লাকসাম গাজীমুড়া দারুল কোরআন মাদ্রাসায় বার্ষিক মাহফিল, ৯ হাফেজকে পাগড়ি প্রদান ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান লাকসামে চেয়ারম্যান প্রার্থী সাইফুল ইসলামের সমর্থনে বিএনপির মতবিনিময় সভা লাকসামে শারদীয় দূর্গোৎসবের মধ্য দিয়ে প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসঃ সড়ক দুর্ঘটনা রোধে প্রয়োজন সবার সদিচ্ছা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা

সড়ক বিভাগ সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড তোয়াক্কা না করে – বালি ভরাট করার নেপথ্য কারিগরের নাম প্রকাশ পেয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :
  • আপডেট সময় : ১১:৪১:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
সরকারি নিষেধাজ্ঞা ও সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড তোয়াক্কা না করে কুমিল্লার লাকসামে পানি নিষ্কাশনের প্রধান জলাধার অবৈধভাবে ভরাট করার নেপথ্য কারিগরের নাম প্রকাশ পেয়েছে। সরেজমিনে ঘুরে ও স্থানীয় একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র নিশ্চিত করেছে, সড়কের পাশে মিশ্রী গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তি আবুল হোসেন আবুল পুরো সরকারি জায়গাটি মাটি ভরাট করে প্লট হিসেবে বিক্রির উপযোগী করে তুলছেন।
এর আগে এই জলাধার ও ডাকাতিয়া নদীর সংযোগ খালটি রক্ষার জন্য কুমিল্লা সড়ক বিভাগের পক্ষ থেকে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে লাকসাম থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। প্রশাসনের সেই মামলার পর মাঠ পর্যায়ে অনুসন্ধানে নেমে স্থানীয়দের কাছ থেকে প্রভাবশালী আবুল হোসেন আবুলের এই অবৈধ বাণিজ্যের চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, লাকসাম পৌরসভা ও লালমাই অঞ্চলের পানি নিষ্কাশনের প্রধান মাধ্যম এই সরকারি খালটি ভরাট হয়ে গেলে পুরো এলাকায় ভয়াবহ জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে। নিজের ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক স্বার্থে এলাকার শত শত মানুষের জনজীবন ও ফসলি জমি হুমকিতে ফেলে এই প্লট তৈরির কাজ চালাচ্ছিলেন আবুল হোসেন। প্রশাসন সতর্ক করার পরও তিনি গোপনে এই ভরাট কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযুক্ত আবুল হোসেনের বক্তব্য:
বালি দিয়ে জলাধার ভরাটের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত আবুল হোসেন আবুল জানান, সড়ক বিভাগের অধিগ্রহণ করা জায়গার পাশাপাশি তাঁর ব্যক্তিগত ১৯ শতক জায়গাসহ মোট ৫৫ শতক জায়গা তিনি ভোগ দখল করতেন।  সম্প্রতি ভূমি ব্যবসায়ীদের কাছে  জায়গাটি বিক্রি করে দিয়েছেন। তাই ক্রেতারা অর্থাৎ ওই ভূমি ব্যবসায়ীরাই সড়ক বিভাগের অধিগ্রহণকৃত জায়গাসহ পুরো জায়গাটি মাটি ভরাট করে প্লট হিসেবে বিক্রির উপযোগী করে তুলছেন।
 স্থানীয়দের জোর দাবি, যেহেতু সরেজমিনে অনুসন্ধানে এবং অভিযুক্তের নিজের বক্তব্যেই সড়ক বিভাগের জায়গা ভরাট ও বিক্রির বিষয়টি স্পষ্ট । সড়ক বিভাগ কতৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসন সরকারি সম্পত্তি  দখলমুক্ত করতে চাইলে,
মামলার সূত্র ধরে গভীর তদন্ত করে পুলিশ যেন দ্রুত এর সাথে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনতে হবে ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সড়ক বিভাগ সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড তোয়াক্কা না করে – বালি ভরাট করার নেপথ্য কারিগরের নাম প্রকাশ পেয়েছে

আপডেট সময় : ১১:৪১:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
সরকারি নিষেধাজ্ঞা ও সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড তোয়াক্কা না করে কুমিল্লার লাকসামে পানি নিষ্কাশনের প্রধান জলাধার অবৈধভাবে ভরাট করার নেপথ্য কারিগরের নাম প্রকাশ পেয়েছে। সরেজমিনে ঘুরে ও স্থানীয় একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র নিশ্চিত করেছে, সড়কের পাশে মিশ্রী গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তি আবুল হোসেন আবুল পুরো সরকারি জায়গাটি মাটি ভরাট করে প্লট হিসেবে বিক্রির উপযোগী করে তুলছেন।
এর আগে এই জলাধার ও ডাকাতিয়া নদীর সংযোগ খালটি রক্ষার জন্য কুমিল্লা সড়ক বিভাগের পক্ষ থেকে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে লাকসাম থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। প্রশাসনের সেই মামলার পর মাঠ পর্যায়ে অনুসন্ধানে নেমে স্থানীয়দের কাছ থেকে প্রভাবশালী আবুল হোসেন আবুলের এই অবৈধ বাণিজ্যের চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, লাকসাম পৌরসভা ও লালমাই অঞ্চলের পানি নিষ্কাশনের প্রধান মাধ্যম এই সরকারি খালটি ভরাট হয়ে গেলে পুরো এলাকায় ভয়াবহ জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে। নিজের ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক স্বার্থে এলাকার শত শত মানুষের জনজীবন ও ফসলি জমি হুমকিতে ফেলে এই প্লট তৈরির কাজ চালাচ্ছিলেন আবুল হোসেন। প্রশাসন সতর্ক করার পরও তিনি গোপনে এই ভরাট কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযুক্ত আবুল হোসেনের বক্তব্য:
বালি দিয়ে জলাধার ভরাটের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত আবুল হোসেন আবুল জানান, সড়ক বিভাগের অধিগ্রহণ করা জায়গার পাশাপাশি তাঁর ব্যক্তিগত ১৯ শতক জায়গাসহ মোট ৫৫ শতক জায়গা তিনি ভোগ দখল করতেন।  সম্প্রতি ভূমি ব্যবসায়ীদের কাছে  জায়গাটি বিক্রি করে দিয়েছেন। তাই ক্রেতারা অর্থাৎ ওই ভূমি ব্যবসায়ীরাই সড়ক বিভাগের অধিগ্রহণকৃত জায়গাসহ পুরো জায়গাটি মাটি ভরাট করে প্লট হিসেবে বিক্রির উপযোগী করে তুলছেন।
 স্থানীয়দের জোর দাবি, যেহেতু সরেজমিনে অনুসন্ধানে এবং অভিযুক্তের নিজের বক্তব্যেই সড়ক বিভাগের জায়গা ভরাট ও বিক্রির বিষয়টি স্পষ্ট । সড়ক বিভাগ কতৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসন সরকারি সম্পত্তি  দখলমুক্ত করতে চাইলে,
মামলার সূত্র ধরে গভীর তদন্ত করে পুলিশ যেন দ্রুত এর সাথে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনতে হবে ।