ঢাকা ০৬:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নয়নজলি ভরাট করে সরকারি সম্পত্তি দখল:  জব্দকৃত মাটি নিলামের ঘোষণা — ইউএনও’র  লাকসামের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এ কে এম ফজলুল হকের ইন্তেকাল মোহাম্মদপুরে জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যকে র‍্যাংক ব্যাজ পরিধান কাশিমপুরে সুপ্রিম গার্মেন্টসের গোডাউনে ভয়াবহ আগুন, ৯ ইউনিটের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণ ঢাকা–কক্সবাজার রুটে মহানগর এক্সপ্রেস, লাকসামে যাত্রাবিরতি – লাকসামের জন্য টিকিট বাড়ানোর দাবি যাত্রীদের লাকসাম গাজীমুড়া দারুল কোরআন মাদ্রাসায় বার্ষিক মাহফিল, ৯ হাফেজকে পাগড়ি প্রদান ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান লাকসামে চেয়ারম্যান প্রার্থী সাইফুল ইসলামের সমর্থনে বিএনপির মতবিনিময় সভা লাকসামে শারদীয় দূর্গোৎসবের মধ্য দিয়ে প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসঃ সড়ক দুর্ঘটনা রোধে প্রয়োজন সবার সদিচ্ছা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা লাকসামে ট্রেন দুর্ঘটনার কারণ উদঘাটনে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠণ !! এক প্রকৌশলী বরখাস্ত

কাশিমপুরে সুপ্রিম গার্মেন্টসের গোডাউনে ভয়াবহ আগুন, ৯ ইউনিটের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর:
  • আপডেট সময় : ০৩:৪০:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ৭৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুরে একটি তৈরি পোশাক কারখানার গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কাশিমপুর থানার শৈলডুবি এলাকায় অবস্থিত ‘সুপ্রিম গার্মেন্টস’-এর গোডাউনে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিটের টানা সাত ঘণ্টার আপ্রাণ চেষ্টায় আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে।ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সকাল আনুমানিক ১০টা ১৪ মিনিটে সুপ্রিম গার্মেন্টসের কার্টনের গুদামে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং গুদামের ভেতর থেকে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী বের হতে থাকে। কারখানার শ্রমিক ও স্থানীয়রা প্রথমে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন।
খবর পেয়ে সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে কাশিমপুর মিনি ফায়ার স্টেশনসহ কাছাকাছি অঞ্চলের ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা একে একে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। গুদামে বিপুল পরিমাণ খালি কার্টন, সুতা এবং তৈরি পোশাকের ফেব্রিক্স মজুত থাকায় আগুনের তীব্রতা দ্রুত বাড়তে থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পরবর্তীতে ডিবিএল ও জয়দেবপুর ফায়ার স্টেশনসহ মোট ৯টি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেয়। সবার যৌথ প্রচেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, গুদামে দাহ্য পদার্থ বেশি থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের সময়োচিত ও সাহসী পদক্ষেপের কারণে আগুন কারখানার মূল ভবনে বা আশেপাশের এলাকায় ছড়াতে পারেনি। ফলে একটি বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ জানা যায়নি। কারখানা কর্তৃপক্ষ ও ফায়ার সার্ভিসের যৌথ তদন্তের পর অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট চিত্র জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কাশিমপুরে সুপ্রিম গার্মেন্টসের গোডাউনে ভয়াবহ আগুন, ৯ ইউনিটের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণ

আপডেট সময় : ০৩:৪০:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুরে একটি তৈরি পোশাক কারখানার গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কাশিমপুর থানার শৈলডুবি এলাকায় অবস্থিত ‘সুপ্রিম গার্মেন্টস’-এর গোডাউনে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিটের টানা সাত ঘণ্টার আপ্রাণ চেষ্টায় আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে।ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সকাল আনুমানিক ১০টা ১৪ মিনিটে সুপ্রিম গার্মেন্টসের কার্টনের গুদামে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং গুদামের ভেতর থেকে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী বের হতে থাকে। কারখানার শ্রমিক ও স্থানীয়রা প্রথমে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন।
খবর পেয়ে সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে কাশিমপুর মিনি ফায়ার স্টেশনসহ কাছাকাছি অঞ্চলের ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা একে একে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। গুদামে বিপুল পরিমাণ খালি কার্টন, সুতা এবং তৈরি পোশাকের ফেব্রিক্স মজুত থাকায় আগুনের তীব্রতা দ্রুত বাড়তে থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পরবর্তীতে ডিবিএল ও জয়দেবপুর ফায়ার স্টেশনসহ মোট ৯টি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেয়। সবার যৌথ প্রচেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, গুদামে দাহ্য পদার্থ বেশি থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের সময়োচিত ও সাহসী পদক্ষেপের কারণে আগুন কারখানার মূল ভবনে বা আশেপাশের এলাকায় ছড়াতে পারেনি। ফলে একটি বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ জানা যায়নি। কারখানা কর্তৃপক্ষ ও ফায়ার সার্ভিসের যৌথ তদন্তের পর অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট চিত্র জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে।