সংগঠনের শীর্ষ কোনো পদ থাকবেনা মন্ত্রী,এমপিদের ‘’এক নেতা-এক পদ’’ নীতিতে বিএনপি
- আপডেট সময় : ১২:৫৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪১ বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদক :
ক্ষমতার অপব্যবহার রোধে, দলের ভেতর জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ”এক নেতা এক পদ” নীতিতে দল ও সরকার আলাদা করছে বিএনপি।
সরকারি দায়িত্ব পালনের কারণে সাংগঠনিক দায়িত্ব সীমিত করে দলীয় কাজে নেতৃত্বের বিকেন্দ্রীকরণ নিশ্চিত করতে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সময়কার নীতি অনুসরণ করে প্রথম ধাপে বিএনপি ও অঙ্গসহযোগি সংগঠনের শীর্ষ পদ থেকে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের সরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
দীর্ঘ দেড় যুগ পর ক্ষমতায় এসে সরকার পরিচালনা ও দলীয় কার্যক্রমকে পৃথক সত্তায় রূপ দিতে, এবার নতুন অন্তর্ভুক্ত নেতা রুহুল কবির রিজভীকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব দেওয়ার মধ্য দিয়ে ”এক নেতা এক পদ” বিষয়টি কার্যকর করতে প্রক্রিয়া সূচনা করেছে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি।
বিএনপির চেয়ারম্যান (সরকার প্রধান) তারেক রহমানও ‘’এক নেতা – এক পদ” নীতির পক্ষে। তার মতে, মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা একটি দায়িত্বে মনোযোগী হলে সরকার পরিচালনা ও সাংগঠনিক কার্যক্রম – উভয় ক্ষেত্রেই দক্ষতা ও কার্যকারিতা বাড়বে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিরসন ও সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করতে বহিষ্কৃতদেরকে দলে ফিরিয়ে আনা এবং পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির প্রবীণ ও মধ্যম সারির নেতাদের পদ দিয়ে দলীয় দায়িত্ব পুনর্বিন্যাসের বিবেচনা করা হচ্ছে । একই সঙ্গে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে তরুণ, মেধাবীদের সামনে আনার উদ্যোগ চলছে।
ইতোমধ্যে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটিতে আমান উল্লাহ আমান, অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার ও মো. ইসমাইল জবিউল্লাহকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

















