ঢাকা ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
লাকসাম সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসিক ভবনগুলো যেন ‘‘ ভূতের বাড়ি “ বাংলাদেশের সকল সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত লাকসামে শাহ ছুফি আবুল বারাকাত পীর ছাহেব (রহ .) এর ৩৮ তম ওফাত দিবস অনুষ্ঠিত একটি হারানো বিজ্ঞপ্তি দয়া বা অনুগ্রহ নয়, পিতা-মাতার ভরণপোষণ সন্তানের ধর্মীয় আইনি নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব আবুল কালাম পার্লামেন্ট মেম্বারস ক্লাবের সহসভাপতি নির্বাচিত, কুমিল্লা-৯ আসনে ব্যাপক উল্লাস লাকসামে গ্রাম্য আদালত সম্পর্কে পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক কর্মশালা লাকসাম পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের সভাপতি ডা: নুরুল্লাহ রায়হানকে ফুলেল শুভেচ্ছা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক নির্বাচিত হলেন লাকসামের এমপি পুত্র ইয়াছির মোহাম্মদ ফয়সাল  কিডনী রোগে আক্রান্ত রহমত উল্যাহ’র জন্য সহযোগীতা কামনা

লাকসাম সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসিক ভবনগুলো যেন ‘‘ ভূতের বাড়ি “

কামরুন নাহার :
  • আপডেট সময় : ১১:১২:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬ ৪৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার একমাত্র সরকারি হাসপাতাল লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স দীর্ঘদিন ধরে বৃহত্তর লাকসাম অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করে আসছে। বর্তমানে ৫০ শয্যার এ হাসপাতালটি আধুনিক জরুরি বিভাগ, বহির্বিভাগ ও প্যাথলজি সেবার মাধ্যমে প্রতিদিন অসংখ্য রোগীকে চিকিৎসা দিচ্ছে।
তবে হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নির্মিত আবাসিক ভবনগুলোর করুণ অবস্থা এখন উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। হাসপাতাল চত্বরে অবস্থিত মোট ৮টি আবাসিক ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সরকারিভাবে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের আবাসন সংকট সৃষ্টি হয়েছে।
সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পরিত্যক্ত ভবনগুলোর চারপাশ জঙ্গল ও লতাপাতায় ঢেকে গেছে। দেয়ালে শ্যাওলা জমেছে, বিভিন্ন স্থানে ভবনের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভবনের ভেতরে পুরোনো আসবাবপত্রের স্তুপ পড়ে রয়েছে। দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সরকারি সম্পদ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয়দের অভিযোগ, ভবনগুলো মাদকসেবী ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের আড্ডাস্থলে পরিণত হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজিয়া বিনতে আলম বলেন,
হাসপাতালের পূর্ব পাশে প্রায় দুই একর জায়গাজুড়ে চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসনের জন্য নির্মিত ৮টি ভবন রয়েছে। ভবনগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সরকার ২০২৩ সালে পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে।

বর্তমান মাননীয় সংসদ সদস্য আবুল কালামের উদ্যোগে পুরোনো ভবনগুলো ভেঙে নতুন আবাসিক ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আমরা আশা করছি খুব শিগগিরই এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে।

সরকারি সম্পদের যথাযথ সংরক্ষণ এবং স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করে স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি,

নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ বাস্তবায়নের পাশাপাশি পরিত্যক্ত ভবনগুলোতে যেন কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড না ঘটে, সে জন্য প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

লাকসাম সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসিক ভবনগুলো যেন ‘‘ ভূতের বাড়ি “

আপডেট সময় : ১১:১২:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার একমাত্র সরকারি হাসপাতাল লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স দীর্ঘদিন ধরে বৃহত্তর লাকসাম অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করে আসছে। বর্তমানে ৫০ শয্যার এ হাসপাতালটি আধুনিক জরুরি বিভাগ, বহির্বিভাগ ও প্যাথলজি সেবার মাধ্যমে প্রতিদিন অসংখ্য রোগীকে চিকিৎসা দিচ্ছে।
তবে হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নির্মিত আবাসিক ভবনগুলোর করুণ অবস্থা এখন উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। হাসপাতাল চত্বরে অবস্থিত মোট ৮টি আবাসিক ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সরকারিভাবে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের আবাসন সংকট সৃষ্টি হয়েছে।
সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পরিত্যক্ত ভবনগুলোর চারপাশ জঙ্গল ও লতাপাতায় ঢেকে গেছে। দেয়ালে শ্যাওলা জমেছে, বিভিন্ন স্থানে ভবনের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভবনের ভেতরে পুরোনো আসবাবপত্রের স্তুপ পড়ে রয়েছে। দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সরকারি সম্পদ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয়দের অভিযোগ, ভবনগুলো মাদকসেবী ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের আড্ডাস্থলে পরিণত হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজিয়া বিনতে আলম বলেন,
হাসপাতালের পূর্ব পাশে প্রায় দুই একর জায়গাজুড়ে চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসনের জন্য নির্মিত ৮টি ভবন রয়েছে। ভবনগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সরকার ২০২৩ সালে পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে।

বর্তমান মাননীয় সংসদ সদস্য আবুল কালামের উদ্যোগে পুরোনো ভবনগুলো ভেঙে নতুন আবাসিক ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আমরা আশা করছি খুব শিগগিরই এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে।

সরকারি সম্পদের যথাযথ সংরক্ষণ এবং স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করে স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি,

নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ বাস্তবায়নের পাশাপাশি পরিত্যক্ত ভবনগুলোতে যেন কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড না ঘটে, সে জন্য প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি।