ঢাকা ১০:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
লগি-বৈঠা হামলায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে লাকসামে জামায়াতের বিক্ষোভ নয়নজলি ভরাট করে সরকারি সম্পত্তি দখল:  জব্দকৃত মাটি নিলামের ঘোষণা — ইউএনও’র  লাকসামের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এ কে এম ফজলুল হকের ইন্তেকাল মোহাম্মদপুরে জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যকে র‍্যাংক ব্যাজ পরিধান কাশিমপুরে সুপ্রিম গার্মেন্টসের গোডাউনে ভয়াবহ আগুন, ৯ ইউনিটের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণ ঢাকা–কক্সবাজার রুটে মহানগর এক্সপ্রেস, লাকসামে যাত্রাবিরতি – লাকসামের জন্য টিকিট বাড়ানোর দাবি যাত্রীদের লাকসাম গাজীমুড়া দারুল কোরআন মাদ্রাসায় বার্ষিক মাহফিল, ৯ হাফেজকে পাগড়ি প্রদান ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান লাকসামে চেয়ারম্যান প্রার্থী সাইফুল ইসলামের সমর্থনে বিএনপির মতবিনিময় সভা লাকসামে শারদীয় দূর্গোৎসবের মধ্য দিয়ে প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসঃ সড়ক দুর্ঘটনা রোধে প্রয়োজন সবার সদিচ্ছা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা

লাকসামে জ্বাল স্বাক্ষরে দলিল সৃজন; বৃদ্ধার জমি দখলের চেষ্টা, সু বিচার ছেয়েছেন ভূক্তভোগী পরিবার

বিশেষ প্রতিনিধি :
  • আপডেট সময় : ০৭:১৮:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৫৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুমিল্লা জেলার লাকসাম বাকই ইউনিয়ন ১২১ নম্বর কোয়ার মৌজায় ৭৮ বছরের বৃদ্ধ আবুল হাশেমকে প্রতারণায় বোকা সাজিয়ে ১৭ শতক নাল ভূমি মালিকানা দাবী করে প্রতিবেশী ইয়াছিন নামক এক প্রতারক। ৭৮ বছরের বৃদ্ধ আবুল হাশেম এর স্বাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে জাল দলিল সৃজনের ঘটনা ঘটেছে বলে ভূক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী জানিয়েছেন।
কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও জেলা প্রশাসক এবং প্রশাসনের বরাবর একাধিক অভিযোগ দায়ের করে সুষ্ঠু তদন্ত মুলক সু বিচার চেয়েছেন আবুল হাশেম এর ছেলে মোঃ শাহাজাহান কবির, তিনি এক অভিযোগে জানান,আমার পিতা আবুল হাশেম বয়স ৭৮ দ্বিতীয় বিয়ে করার করনে পৃথক বাড়ীতে বসবাস করেন। নতুন বাড়ী করার সময় ও আমার সতাই ভাই শাহপরান কে প্রবাসে পাঠানোর জন্য টাকার প্রয়োজনে বিভিন্ন সময়ে আমার কাছ থেকে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা গ্রহণ করেন সতাই মাতা চন্দ্রা বিবি। প্রতিবেশী,এলাকার মুরব্বী গণ্যমান্য ব্যাক্তিরা এ বিষয়ে অবগত রয়েছেন । নিজস্ব প্রয়োজনে টাকা ফেরত চাইলে সতাই মাতা ও আমার পিতার সিদ্ধান্ত মতে ২০২৫ইং আত্মীয় স্বজন সবাইকে নিয়ে আলোচনা করে ১১২ নম্বর খতিয়ানের দাগ নম্বর ৬৪৯, মোট ১৭ শতক ভূমি আমারে নামে হেবা দলিল দিলে সরকারি খারিজ খতিয়ানে ভূমির মালিকানা হিসেবে নিযুক্ত হই। পিতার অসুস্থতায় ঔষধ ও সাধারণ খরচ বহনে এলাকাবাসীর মৌখিক পরামর্শে ভূমিটি বিশেষ কারনে ব্যবহার, নিজের দায়িত্বে চাষাবাদ করেন। ওই ভূমিটি বর্তমানে আমার নামে সরকারী খারিজে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সম্প্রতি জানতে পাই ওই জমির মালিক অন্যজন বনে গেছেন বলে এলাকায় বলাবলি প্রচার করেন। এতে আইনগত ভাবে প্রতিবাদ করিলে ঘটনায় আসল সত্যতা প্রকাশ পেলে ব্যাপক প্রতারণা করার চেষ্টা চলছে। স্থানীয় প্রশাসনকে ভূল বুঝিয়ে ভূমি অফসের অসাধু কর্মকর্তার সহায়তায় ব্যাপক অনিয়মের আশ্রয় নেয়া হয়।আমার আব্বা কখনো স্বাক্ষর জানেন না, টিপসহি মাধ্যমে সকল দায়িত্ব পূর্ণ কাজ চলে। জাতীয় পরিচয়পত্র তা প্রমান মিলবে, তিনিএকজন দিশেহার, একটু পর পর শ্রবন ভূলে উলট পালট কথা বলে আসছেন, মাঝে মধ্যে কাউকে চিনেন না, বুঝেন না এ কারনে মানুষিক রোগী হওয়ায় চিকিৎসা চলছে। কুমিল্লা জেলা প্রশাসক, লাকসাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার ভূমি বরাবর কয়কটি অভিযোগ দায়ের করিলে স্থানীয় প্রশাসন এ বিষয়ে সরেজমিন তদন্তমুলক প্রয়োজনীয় ব্যাস্থাগ্রহনের আহবান জানানো হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

লাকসামে জ্বাল স্বাক্ষরে দলিল সৃজন; বৃদ্ধার জমি দখলের চেষ্টা, সু বিচার ছেয়েছেন ভূক্তভোগী পরিবার

আপডেট সময় : ০৭:১৮:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কুমিল্লা জেলার লাকসাম বাকই ইউনিয়ন ১২১ নম্বর কোয়ার মৌজায় ৭৮ বছরের বৃদ্ধ আবুল হাশেমকে প্রতারণায় বোকা সাজিয়ে ১৭ শতক নাল ভূমি মালিকানা দাবী করে প্রতিবেশী ইয়াছিন নামক এক প্রতারক। ৭৮ বছরের বৃদ্ধ আবুল হাশেম এর স্বাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে জাল দলিল সৃজনের ঘটনা ঘটেছে বলে ভূক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী জানিয়েছেন।
কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও জেলা প্রশাসক এবং প্রশাসনের বরাবর একাধিক অভিযোগ দায়ের করে সুষ্ঠু তদন্ত মুলক সু বিচার চেয়েছেন আবুল হাশেম এর ছেলে মোঃ শাহাজাহান কবির, তিনি এক অভিযোগে জানান,আমার পিতা আবুল হাশেম বয়স ৭৮ দ্বিতীয় বিয়ে করার করনে পৃথক বাড়ীতে বসবাস করেন। নতুন বাড়ী করার সময় ও আমার সতাই ভাই শাহপরান কে প্রবাসে পাঠানোর জন্য টাকার প্রয়োজনে বিভিন্ন সময়ে আমার কাছ থেকে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা গ্রহণ করেন সতাই মাতা চন্দ্রা বিবি। প্রতিবেশী,এলাকার মুরব্বী গণ্যমান্য ব্যাক্তিরা এ বিষয়ে অবগত রয়েছেন । নিজস্ব প্রয়োজনে টাকা ফেরত চাইলে সতাই মাতা ও আমার পিতার সিদ্ধান্ত মতে ২০২৫ইং আত্মীয় স্বজন সবাইকে নিয়ে আলোচনা করে ১১২ নম্বর খতিয়ানের দাগ নম্বর ৬৪৯, মোট ১৭ শতক ভূমি আমারে নামে হেবা দলিল দিলে সরকারি খারিজ খতিয়ানে ভূমির মালিকানা হিসেবে নিযুক্ত হই। পিতার অসুস্থতায় ঔষধ ও সাধারণ খরচ বহনে এলাকাবাসীর মৌখিক পরামর্শে ভূমিটি বিশেষ কারনে ব্যবহার, নিজের দায়িত্বে চাষাবাদ করেন। ওই ভূমিটি বর্তমানে আমার নামে সরকারী খারিজে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সম্প্রতি জানতে পাই ওই জমির মালিক অন্যজন বনে গেছেন বলে এলাকায় বলাবলি প্রচার করেন। এতে আইনগত ভাবে প্রতিবাদ করিলে ঘটনায় আসল সত্যতা প্রকাশ পেলে ব্যাপক প্রতারণা করার চেষ্টা চলছে। স্থানীয় প্রশাসনকে ভূল বুঝিয়ে ভূমি অফসের অসাধু কর্মকর্তার সহায়তায় ব্যাপক অনিয়মের আশ্রয় নেয়া হয়।আমার আব্বা কখনো স্বাক্ষর জানেন না, টিপসহি মাধ্যমে সকল দায়িত্ব পূর্ণ কাজ চলে। জাতীয় পরিচয়পত্র তা প্রমান মিলবে, তিনিএকজন দিশেহার, একটু পর পর শ্রবন ভূলে উলট পালট কথা বলে আসছেন, মাঝে মধ্যে কাউকে চিনেন না, বুঝেন না এ কারনে মানুষিক রোগী হওয়ায় চিকিৎসা চলছে। কুমিল্লা জেলা প্রশাসক, লাকসাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার ভূমি বরাবর কয়কটি অভিযোগ দায়ের করিলে স্থানীয় প্রশাসন এ বিষয়ে সরেজমিন তদন্তমুলক প্রয়োজনীয় ব্যাস্থাগ্রহনের আহবান জানানো হয়।